skip to main |
skip to sidebar
প্রয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা মোতায়েনের কথা ভাববে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা মোতায়েনের কথা সরকার ভেবে দেখবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর উত্তরখানে কাঁচপুরা স্কুলমাঠে কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
খবর দৈনি প্রথম আলো। তারিখ: ২৩-০২-২০১০
মন্ত্রীমহোদয়, এই ছবিটি সর্বপ্রথম একবার দেখুন।
তারপর আপনার কাছে জানতে চাই, সেনাবাহিনী যদি নিরপেক্ষ হয় তবে, পেছনে ট্রাকভর্তি সেনাবাহিনী আর তাদের শেল্টারে আক্রমন কি করে হয়?
এ মন্তব্য দ্বারা আপনি কি বুঝাতে চাইছেন, সেনা প্রত্যাহার সরকারের ভূল ছিল?
এ মন্তব্য দ্বারা আপনি কি বুঝাতে চাইছেন, সেনা প্রত্যাহারের সময় বিএনপি র বিরোধিতা যুক্তিসংগত ছিল?
এ মন্তব্য দ্বারা আপনি কি বুঝাতে চাইছেন, সরকার নিজের সার্থের জন্য কথা দিতে, কথা ভাংতে পারে?
সেনা মোতায়ন যদি সমস্যা সমাধান হয় তবে, সেনা ক্যেম্পের কাছের পাহাড়ী ঘর পুরলো কেমনে?
আপনি কি জানেন, আমি কিভাবে পিতৃ হারা (এতিম) হই?
আপনি কি জানেন, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ কি প্রমাণ পেয়েছে?
আপনি কি জানাবেন, একটি স্বাধীন দেশে কি করে দুপ্রকার শাসন চলতে পারে?
মন্ত্রী মহোদয়, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জনগণের করের অর্থে চলে, সেনাবাহিনীর এমন কিছু করা কাম্য নয় যে তাদের কোনো কার্যকলাপ এ দেশের জনগণকে বিব্রত করে।
আমি একজন উপজাতি চাকমা সম্প্রদায়ের সন্তান। এজন্য আমি আমার সম্প্রদায়কে দুয়া তুলসী পাতা বলছি না। যে সময় সেনা প্রত্যাহার সে সময়ের আমার একটি পোস্ট ছিলনাম বা সম্প্রদায়ে কি আছে? । আমার জীবন বেড়েওঠা, শিক্ষা সবকিছু ছোটকাল থেকে বাংলী সমাজে। আমার বন্ধু মহলও একজন মারমা সারা আর সবাই বড়ুয়া, মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের। তারাও প্রাত্যেকে কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমার মা ও বোনের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় ছিল। অনেকে আমকে ফোন করে, আমার মা-বোনকে ফোন করে খবরা খবর রাখে। সেনাবাহিনীর আমার দু বন্ধু, আমার পরিবারে কোন সমস্যা কিনা জানতে খোজ খবর নেয়। বিপদে বন্ধুর পরিচয়। এ কথা সবার জানা। আমার বিপদে আমি আমার বন্ধুদের কাছে পায়, এ জন্যে আমি তাদের প্রতি বিশ্বাসী, আস্তাশীল।
তবে সেনাবাহিনী পার্বত্য উপজাতিবাসীর কাছে বিশ্বাসী এবং আস্তাবাজন হতে পারলোনা কেন?
কারণ দুঃজন হলেও সত্য, সংঘাতময় সময় সেনা বাহিনী সাম্প্রদায়ীক চেতনায় অন্ধ হয়ে যায়। তাদের আসল চেতনার পরিচয় দিতে ভূল করে।
আমি নিজেও এক সময়সেনাবাহিনীকে মনে প্রানে ঘৃণা করতাম। মনে হিংসার শপত ছিল, সেনাবাহিনী হত্যা করে বাবার হত্যার বদলা নিব। কারণ, আমার কেটে খাওয়া সহজ সরল দিনজুর বাবাকে নৌকায় আমার চোখের সামনে গুলি করে হত্যা করে । বর্ষার মৌসুমে ব্যাহারের জন্য মার নিজ হাতে সংগ্রহে রাখা লাকড়ি দিয়ে আমার চোখের আমার মাকে ইচ্ছামত পেটানো হয়। যার আঘাতে মা কানে ঠিক মত শুনতে পাননা। আমি অহিংসা ও মানবতার চেতনায় আজ তা মন থেকে মুছে দিয়েছি। ভুলে গেছি সেই সব নিদারুন দিনগুলোর কথা। আপন বলে মেনে নিয়েছি সবাইকে।
বাংলাদেশের যে কোন সাফল্য উচ্চাসিত হয়ে পরি। ক্রিকেট পাগল ছেলে হিসাবে বাংলার আশাফুল, তামিম, সাকিফদের চার চক্কার চিতকার করে উঠি চার, ছয় বলে। তাদের সাফল্য বা জয়ে ছোট খাত পাটি দিই।
বন্ধু, লিংকনকে বলেছিলাম সাম্নের বিশ্বকাপের তারা যদি টিকেট কিনে আমার জন্যও টিকেত কিনতে এবং বলেছিলাম টিকেট যেন চট্টগ্রামের ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের হয়। আনন্দে মেথে উঠি, ২১শে ফেব্রুয়ারী, ১৬ ডিসেম্বার চেতনায়।
গতবছর পিলখানা হত্যাকাণ্ড পিতা হারা ছোট শিশুদের কান্না দেখে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। আজান্তে ঝরে পরেছিল অশ্রু।
অশান্তি চাই না। শান্তি চাই।
মন্ত্রীর এই চোখ রাঙ্গনো মন্তব্যে আসবে পালটা চোখ রঙ্গানো জবাব। সেনা পূণমোতায়ন পরিনামে শান্তি আসবেনা, আসবে অশান্তি। এটা ১০০% ধরে নিতে পারি।
ক্ষমতায় থেকে দুর্বলকে অত্যাচার করার অধিকার পৃথির কারও নেই। যে কোন দেশে যে কোন স্থানে সেনা শাসন মানে সে স্থানে গণতন্ত্রহীনতা।
মন্ত্রী মহোদয়, আপনি গণতান্ত্রীক সরকারের একজন মন্ত্রী হয়ে অগণতান্ত্রীক মন্তব্য করে কেন নিজের অযোগ্যতা প্রমাণ দিচ্ছেন? খুশি হয়েছিলাম, দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে প্রথম নারী হবার খবরে। কিন্তু পরবর্তী আপনার কোন কাজেই খুশি হতে পারিনি। না পিলখানা, না ভিবিন্ন সময়ে আপনার ভিবিন্ন মন্তব্য।
আবারও বলতে চাই, মন্ত্রী মহোদয়, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জনগণের করের অর্থে চলে, সেনাবাহিনীর এমন কিছু করা কাম্য নয় যে তাদের কোনো কার্যকলাপ এ দেশের জনগণকে বিব্রত করে।
যদি সম্ভব হয় বলেদেন, বর্তমান পার্বত্য এলাকায় যেসব সেনা আছে তাঁরা যেন যেকোন প্রকারে এলাকার পাহাড়ি-বাংলিরদের মাঝে সমভাবে বিশ্বস্ততা ও আস্থা অর্জন করে।
তাহলে হয়তো দেখা যাবে, আমাদের এখানের সমতল এলাকার ন্যায় ছোট খাত ঝগড়া, পাড়া মহ্ল্লার মাঝে মারা মারির মত মারামারি হলেও বৃহত আকারের কিছু হবেনা। আর সেনাবাহিনীর প্রতিও কোন প্রকার অভিযোগের আঙ্গুল উঠবেনা।
![Avatar (Two-Disc Blu-ray/DVD Combo) [Blu-ray]](http://ws.amazon.com/widgets/q?MarketPlace=US&ServiceVersion=20070822&ID=AsinImage&WS=1&Format=_SL160_&ASIN=B002VPE1B6&tag=bd969nbr@gmail.com)





বৌদ্ধ ধমের্র জাতক নামক গ্রন্থে একটি উপখ্যান আছে। কোন এক ব্যক্তির Sony 4 GB Memory Stick PRO Duo Flash Memory Card MSMT4G
Serie de Oro: Grandes Exitos
মা বাবা তার নাম রেখে ছিল`পাপক'। সে যখন বড় হল, তখন ঐ নামটা তার ভীষণ খারাপ লাগতে লাগলো। তখন সে, যে গুরুর নিকট বিদ্যাশিক্ষা করতেছির তার কাছে গিয়ে বলে,- গুরু আমার নামটা বদলে দিন। এই নাম খুব অপ্রিয়, কারণ এট অশুভ,অমাঙ্গলিক। গুরু তাখে অনেক বুঝালেন নাম হচ্ছে একটা ` প্রজ্হপ্তি' মাত্র। ব্যবহার জগতে কাউকে ডাকার জন্য এ নামের প্রয়োজন। কারো নাম পাপক হলে সে ভাল কাজের দ্ভরা ধামির্ক হতে পারে।
এবাবে গ্ররু তাকে এ বিষয়ে অনেক বুঝালোন কিন্ত তিনি কিছুতেই শুনলেন না। তখন গুরু তাকে বলেদিলেন, যা সমস্থ এলাকা ঘুরে এসো। যে নাম তোমার মাঙ্গলিক মনে হবে, আমাকে এসে জানাবে। তোমার নাম সেভাবে পালটে দেয়া হবে।
পাপক সুন্দর নাম খুজতে বেরিয় পরলেন। কিছু দূর যাবার পর তিনি এক শব যাত্রা দেখলেন। জিজ্ঞস কললেন কে মারা গেছে?
লোকেরা বললো- জীবক। পাপক তখন ভাবতে লাগলেন, নাম তার জীবক, কিন্তু তার মৃত্যু হলো কেন?
আর কিছু পথ যাবার পর দেখলেন এক দীন-দরিদ্র লোক তার স্ত্রীকে মারধর করছে। পাপক জানতে পারলেন সে স্ত্রী লোকটির নাম- ধনপালী। পাপক ভাবতে লাগলেন তার নাম ধনপালি, অতচ সে দীন-দরিদ্র। আর কিছু দূর যাবার পর দেখলেন এক লোক পথ নিশানা হারিয় পথের নিশানা জিজ্ঞেস করছেন। তিনি তার নাম জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন- তার নাম- পন্হক। পাপক তখন চিন্তা করলেন- আরে! পন্থক তাহলে পন্থা (রাস্থা )জিজ্ঞেস করছে! সে রাস্থা হারায়?
পাপক তার গুরুর কাছে পিরে এলেন। নামের প্রতি তার আর কোন আকর্ষণ বা বিকষর্ন রইলো না। তিনি বুঝতে পারলেন , নাম এ কি আসে।জীরক মরে আজীবকো মরে। ধনপাল্রি দরিদ্র হয় অধনপালি দরিদ্র হয়। আমার নাম পাপক কিন্ত অমঙ্গল তো কিছুই দেখছি না। আমি ভাল কাজই করবো।
সুপ্রিয় ভাই বোনেরা, যে কথা ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আমি মনে করি সম্প্রদায় বেলায় তা সমভাবে প্রযোজ্য। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সমস্থ লোকই কি বোধিসম্পন্ন? ব্রাক্ষণ সম্প্রদায়ের সমস্থ লোকই কি ব্রক্ষবিহারী? ইসলাম সম্প্রদায়ের সমস্থ লোকই কি আত্নসমপির্ত এবং শান্ত? প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই যেমন ভাল-মন্দ আছে তদ্রুপ সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাল-মন্দ লোক আছে। কোন সম্প্রদায়ের সব লোকই ভাল হতে পারে না আবার সব লোকই খারপ হতে পারে না। কিন্ত সাম্পদায়িক আসক্তির কারণে আমরা নিজের সম্প্রদায়ের সকল ব্যক্তিকে সজ্জন এবং অন্য সম্প্রদায়ের প্রত্যেক লোককে দুজর্ন মনে করি। বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, হিন্দু, মুসলমান, উপজাতি, বাঙ্গালি বলা মাত্রই কোন ব্যক্তি সজ্জন বা দুজ্জন হতে পারে না। একজন চাকমা সম্প্রদায়ধারী ব্যক্তি পরম শান্তি প্রিয় হতে পারে আবার নিত্যান্ত খারপো হতে পারে। এই কথা সকল সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন কোন ব্যক্তি চেনবার জন্য একটি নাম দেয়া হয়, তেমনি কোন সম্প্রদায়কে চেনার জন্য একটি নাম দেয়া হয় মাত্র। নামের সাথে তার গুণের কোন সম্পর্ক নেই। তেলভরা টিনের গায়ে `ঘি' এর লেবেল লাগিয়ে দিলে তেল তেলই থাবে; বিশুদ্ধ ঘি হয়ে যায় না।
সাম্প্রদায়িকতার রঙ্গিন চশমা খুলে ফেলে দেখলেই শান্তির শুদ্ধ রূপ প্রকটিত হবে। অন্যতা নিজের সম্প্রদয়ের রঙ-চাকচিক্য নামলেবেলই প্রধান্য পেয়ে সমাচজ অশান্তি বয়ে আনবে। এই সাম্প্রদায়িক তকমার সাথে শান্তির কি সম্পর্ক থাকতে পারে? চমকদার নাম এবং তকমার থেকে আমরা কিই বা পেতে পারি! কারো কিছু পাবার সম্ভব কি? মদে ভরা বোতলে দুধের লেবেল লাগানো থাকলে সেটা পান করে আমাদের নেশাই হবে। যদি সেখানে পানি থাকে তা পান করে তেষ্টা মেটানো যেতে পারে, কিন্ত স্বাস্থ বান শরীর লাভ করা যাবে না। স্বাস্থবান হতে হলে বিশুদ্ধ দুধ পান করতে হবে।
তিন পাবর্ত্য এলাকার সকল সম্প্রদায়ের মানুষ আসুন, এই সম্প্রদায়ের ঊধ্বের উঠে নিজেদের শান্ত করে সমাজকে শান্ত করি।
আমার আগের পোস্ট যারা পরেছে তারা হয়তো অনেকে জানে আমি খুভ ছোট থাকার সময় আমার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুলিতে মারা যান। সেই ছোট থেকে আজ দীঘ ১৬ বছর হতে চলছে আমি বাঙলি সমাজে বসবাস করছি। বাঙ্গালির খাবার আমার পেট জুরাই, বাংলা ভাষা বলতে আমি স্বাচ্চন্দ বোধ করি, বাংলারদেশের সমস্থ এলাকার মানুষ আমার আপন হনে হয়। অতচ যে সময় আমার বাবা মারা যান আমি মনে প্রাণে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে ঘৃণা করতাম। এখন সেই সেনাবাহিনীতে আমার তিন বন্ধু (লিংকন, ওসমান, কিরণ ) যোগ দান করে দেশের সেবা করতেছে । তাদের নিয়ে আমি গভর্বোধ করি।
প্রিয় উপজাতী- বাঙ্গালী ভাই বোনেরা আসুন আমার সম্প্রদায়ের সীমানা থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের নিজ এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠা করি

...........তুমি এসো শান্তি, দূর করে সবর্ ক্রান্তি
............ তোমর অপেক্ষায় মম চিত্ত অন্তি।










